01781567944

[email protected]

Dhaka, Bangladesh

পিগমেন্টেশনের সমস্যা – করনীয়

পিগমেন্টেশনের সমস্যা – করনীয়

আমি আজকের পোস্ট মেইনলি যাদের পিগমেন্টেশনের সমস্যা আছে তাদের জন্য, আর সাথে পিম্পল এর সমস্যাও যদি থাকে সেটার জন্যও হেল্পফুল হবে। আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আপনারা পুরো পোস্টটি পড়বেন কাইন্ডলি, কারণ পুরো প্রসেসটা জানা জরুরী। তাই একটু বড় হলেও পড়বেন।

Cos De Baha Niaciamide 10 serum:

প্রথমে আমি বলব নিয়াসিনামাইড সিরাম টার কথা। এটায় 10 পার্সেন্ট নিয়াসিনামাইড আছে যা খুবই হাইলি কনসেনট্রেটেড।
নিয়াসিনামাইড এর প্রধান কাজ হল পোরস মিনিমাইজ করা এবং স্কিনের পিগমেন্টেশন কমানো। আর সাথে ব্রাইটেনিং এর কাজও করবে। আপনি একটি নিয়াসিনামাইড সিরাম প্রতিদিনের স্কিন কেয়ার রুটিনে রাখতে পারেন, এতে ব্রাইটেনিং এর কাজ হয়ে যাবে। কস দে বাহা এর এই নিয়াসিনামাইড সিরামটি আমি মোটামুটি প্রতিদিনই ব্যবহার করি। আমার খুবই খুবই প্রিয় এটা, আমি যতোটুকু ব্রাইটেনিং চাই সেটা পুরোপুরিভাবে দিতে এটা সক্ষম। এছাড়াও অয়েলি স্কিন হওয়াতে পোরস বড় হয়ে যাওয়ার একটা প্রবণতা আছে আমার, তাই এটা ট্রিটমেন্ট হিসেবে কাজ করে। এককথায় AMAZING ???? তাছাড়াও এটা ভালো লাগার আরেকটা কারণ আমি পরের পার্টে বর্ণনা করছি।

Cos De Baha Retinol 2.5 serum:

এখন আসি রেটিনল সিরাম নিয়ে। প্রথমেই বলে নেই যারা প্রেগনেন্ট এবং যাদের বয়স পঁচিশের কম তারা এই সিরামটি ব্যবহার করতে পারবেন না। ????‍♀️

রেটিনল একটি এক্সেলেন্ট অ্যান্টি-এইজিং ইনগ্রেডিয়েন্ট এবং সব ধরনের পিগমেন্টেশন কমাতে এটা খুবই ভালো কাজ করে। যাদের স্কিন কুঁচকে গেছে বা ফাইন লাইনস দেখা যাচ্ছে তারা রেগুলারলি রেটিনল ব্যবহার করবেন। টানা কয়েক মাস ব্যবহার করলে আপনি ভিসিবল রেজাল্ট দেখতে পারবেন।

কস দে বাহার এই সিরাম টি আমার ব্যবহার করা প্রথম রেটিনল। আমার তেমন কোনো পিগমেন্টেশনের সমস্যা না থাকায় আমি সেটা নিয়ে রিভিউ দিতে পারছিনা, কিন্তু এটাকে আমি নিয়াসিনামাইড সিরাম এর পরে ব্যবহার করি। আর দুইটা একসাথে ব্যবহার করলে এদের কার্যক্ষমতা আরো বেড়ে যায় ফলে আরো সুন্দরভাবে ব্রাইটেনিং এর কাজ করে। ????

আরো একটি ইম্পর্টেন্ট পয়েন্ট হল যদি আপনার পিম্পলের সমস্যা থাকে সেটাকে হিল করতেও এই দুইটা সিরাম একত্রে খুব হেল্প করবে। আমার যদি র‌্যাশ বা বাম্পস বা পিম্পল দেখা দেয়, আমি নিয়াসিনামাইড এবং রেটিনল সিরাম একসাথে ইউজ করি রাতে, সকালবেলা দেখি অনেকটাই কমে গিয়েছে এবং দাগও খুব হালকাভাবে পড়ে।

রেটিনল কিন্তু প্রতিদিন ব্যবহার করা যাবে না, সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিন ব্যবহার করা যাবে। ❤

Cos De Baha Hydroquinone Brightening serum:

এখন আসি সবার প্রিয় হাইড্রোকুইনন সিরাম নিয়ে। এটা নিয়ে তো আর নতুন করে কিছু বলার নেই। এটা স্কিন ব্রাইটেনিং এর কাজ করে এবং দাগ দূর করে, কিন্তু এটা প্রপারলি ব্যবহার করতে না জানায় অনেকেই স্কিন পাতলা করে ফেলে।

তাই আমি এটা সহজে কাউকে সাজেস্ট করি না। একমাত্র সঠিক স্কিন কেয়ার আইটেম কালেকশনে থাকলেই তবে আমি এটা সাজেস্ট করি। খুবই কার্যকর এটা, কিন্তু আপনি একটানা দুই মাসের বেশি ব্যবহার করতে পারবেন না এবং ব্যবহার করতে হবে খুব সাবধানে।
এটা মেইনলি আমি ব্যবহার করি লোশন এর সাথে 1 থেকে 2 ড্রপ মিক্স করে, শরীরের যেখানে কালো দাগ আছে সেখানে এপ্লাই করি। আপনারাও ট্রাই করতে পারেন, ঘাড়ে বা যেখানে পা কালো হয় বা সানবার্ন হয়, কনুইতে, হাটুতে আপনারা এভাবে ট্রাই করে দেখতে পারেন। ❤

Cos De Baha Arbutin Niaciamide Serum:

এখন আমি আসবো আর্বুটিন নিয়াসিনামাইড সিরাম নিয়ে। এটা আমার খুবই পছন্দের একটা সিরাম। ???? হাইড্রোকুইনন নিয়ে আমার একটু ভয় লাগলেও আমি নিশ্চিন্তে আর্বুটিন ব্যবহার করতে পারি। দুইটার কাজ মোটামুটি একই কিন্তু আর্বুটিন একটু নিরাপদ বেশি। যাদের স্কিন বেশী সেনসিটিভ তারা আর্বুটিন ব্যবহার করতে পারেন। আর এটার মধ্যে নিয়াসিনামাইড থাকায় পোরস মিনিমাইজ এর কাজ করবে, ব্রাইটেনিং এবং পিগমেন্টেশন এর উপর তো কাজ করবেই। এতে হায়ালুরনিক অ্যাসিড থাকায় এটা স্কিনকে হাইড্রেটেড রাখে প্রতিদিন ব্যবহার করা যায় সেটা দিনে বা রাতে। যাদের পিম্পল এর সমস্যা আছে তাদের জন্য এটা একটা গ্রেট অপশন। ❤

????????সবগুলো সিরাম আমি এক থেকে দুই ড্রপের বেশি ব্যবহার করিনা প্রতিদিন। আমি সাধারণত রাতের বেলা সিরাম ব্যবহার করি অল্টারনেট করে এবং সকালে একটি ফ্রেশ স্কিন নিয়ে শুরু করি দিন।

????????আর যেটা বলতেই হবে সেটা হলো এটার সাথে আমি সবকিছু সুদিং, হাইড্রেটিং এবং কামিং ব্যবহার করি, যেমন সুদিং টোনার, হাইড্রেটিং এসেন্স, হাইড্রেটিং সিরাম, রিপেয়ারিং ময়েশ্চারাইজার। গতকাল পোস্টে আমি দেখিয়েছি আমার দুটো পছন্দের প্রডাক্ট, সেগুলো আমি ব্যবহার করি এর সাথে। আর রিপেয়ারিং মশ্চারাইজার অবশ্যই ব্যবহার করতে হবে। আমি Rovectin ব্যবহার করি।

???????? অর্থাৎ প্রসেসটা হবে-
সুদিং টোনার> হাইড্রেটিং এসেন্স> “ট্রিটমেন্ট” > হাইড্রেটিং সিরাম> রিপেয়ারিং মশ্চারাইজার
আর যেদিন কেমিক্যাল এক্সফলিয়েটর ব্যবহার করবেন সেদিন ট্রিটমেন্ট ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকবেন।

????এই হল আমার ইন ডিটেলস রিভিউ এই চারটা সিরাম নিয়ে। আপনারা আপনাদের পছন্দমত যেকোনোটা কালেক্ট করতে পারেন। আর কোন প্রশ্ন থাকলে অবশ্যই আমাকে জিজ্ঞেস করতে পারেন কমেন্টে ????❤????????

Share with

Leave a Reply

Start typing and press Enter to search

Shopping Cart

No products in the cart.